আজ কি খেলে?
পাঁচমিশালী আদুরে পদ?
ফোড়নে ফোড়নে ছোঁ ,
গরমমশলা কমপ্লিমেন্টারি।
উত্তপ্ত হেঁশেলের চারধার-কড়াই আঁচে পোড়ে।
মিলেমিশে থাকে শুকনো আর্দ্র সব্জিরা
গায়ে গায়ে। শিরায় শিরায় নির্যাস খোঁজে পরিবর্তন।
একেই হয়তো বলে ট্রান্সফর্মেশন।
যে পরিবর্তনে ফিরে আসা নেই।
আছে শুধু স্বাদ নিজেকে ভেঙে চুড়ে মুক্ত করবার।
জিহ্বার রসনা তৃপ্তিতেই তো সার্থকতা
পাঁচমেশালীর।
আর এই সার্থকতাকে অস্তিত্ব করবার জন্যই তো বার বার তার নিঃশেষ হওয়া। ।
নিঃশব্দে বয়ে চলাই নদীর ভবিতব্য।
আকাশ সে যতই ছলকে দিয়ে যাক,
পাহাড় সে যতই আগুন ছড়াক,
-এঁকেবেঁকে ভালোবেসে চলা
তার জীবনিশক্তি,স্বাভাবিক ধর্ম।
যে নদী চলতে চলতে
হারিয়ে ফেলে পথ,বা হঠাৎ শুষ্কতায় ঢাকা পড়ে,
তার ও অনন্ত ধর্ম -পথিকের পা টুকু ভেজানো।
সে জানে,এতে সে ঘেঁটে যাবে নিজেই,
ঘোলা হবে,
শহুরে বিষাক্ত ছোবল তাকে নর্দমায় পর্যবসিত করবে।
তবু সে পেতে রাখে বুক পথের অভিমুখে।
কোন মহাকর্ষজ বলে?
একদিন আকাশ এসে অঝোরে ভরাবে,
পাহাড় ও ধুয়ে নেবে যত কাঠিন্য-
তার শীতলতা কে আপন করে।
এটাই অন্তর্দৃষ্টি। ল অফ গ্র্যাভিটেশন।
দিয়ে যাওয়া যেখানে পূর্ণতার ই ব্যাপ্তি বোঝায়,
অপেক্ষা সেখানে এক অমোঘ জীবনদর্শন। ।