-
দুটো কথা
দুটো কথা
-সাগ্নিক রায়দাদা দুটো কথা বলব।
হ্যাঁ দাদা দুটো কথা।
এক বর্ষার বিকেলে ঝোড়ো হাওয়া দিচ্ছিল।
বাড়ির ছাদে ছাদে স্যন্ডো গেঞ্জি, লুঙ্গি উড়ছিল মধ্যবিত্তের।বান্ধবীর সাথে চুড়ান্ত মদ গিলে রাস্তায় হাটছিলাম থুড়ি টলছিলাম।
বিকেলটাকে রাত মনে হচ্ছিল। অমাবস্যার চাঁদ দেখেছিলাম মনে আছে।
কাছাকাছি পার্ক খুঁজেছিলাম।একজনকে জিজ্ঞেস করায় বলেছিল এগিয়ে যান।
সেই থেকে এগোচ্ছি।
দাদা দুটো কথা,
বিরহের সমুদ্রে হাবুডুবু খেতে খেতে সাঁতার গেছি ভূলে।কারোর কাছে দুটো টাকা ধার চাইলে পাঁচশো টাকা ধরিয়ে দেয়।
তা নিয়ে আবার দোকানে গেলে ফিরিয়ে দেয়। বলে এই নোট বাতিল।
চারপাশের দুর্বোধ্য তামাশা মাথায় ঢুকছেনা।
কিছু কি পরিবর্তন হয়েছে ?
দাদা চারপাশে সবাই দেখি পাগলের মতো ভাগাড় বলে চেঁচিয়ে মরছে।কিছুই বুঝতে পারিনা।
ওখানে গেলে কি ভালোবাসা পাওয়া যাবে?
শান্তি পাওয়া যাবে? দু টাকা পাওয়া যাবে ?
ভালো কথা এক জায়গায় দেখি দু টাকা কিলো দরে চাল কেনাবেচা হচ্ছে।তবে কি জিনিসের দাম কমেছে ?
দাদা ওইযে আকাশ কালো হয়ে উঠেছে ।আবার ঝড় ফড় উঠবে মনে হচ্ছে! শীত করছে খুব দাদা।
ক্যলপল হবে ? একটু দাড়ান
দুটো কথা দাদা -
ভালোবাসা ও গন্তব্য
ভালোবাসা ও গন্তব্য
-সাগ্নিক রায়
কেউ আমায় এনে দিতে পারে এক বিন্দু ভালোবাসা ?
তাতে ডুবে যেতে পারি আমি। বিভোর হয়ে চুকিয়ে দেবো তবে
আপেক্ষিক, অর্বাচীন সব ভঙ্গুর জীবনের বাক্যালাপ, তাতে যদি কারোর কিছু এসে যায়,
ডাল কেটে করে নেবো আঙিনা।
আমি তো শুধু অমৃত চেয়েছি,
এক পশলা চেয়েছি স্যাতস্যাতে হবো বলে।
তাই ভালবাসা নিয়ে সরে যাবো কোথাও।
যে মাঠে একটা কাশফুল ফুটতে এক বছর লাগে,
তাকে ছোঁবোনা !
সেখানেই যাবো,
আজীবন বসন্ত রয়ে যায় একভাবে যেখানে। -
হতে পারে, গ্রামের নামটি খঞ্জনা
হতে পারে, গ্রামের নামটি খঞ্জনা
-সাগ্নিক রায়
মুগ্ধতা
তুমি দুয়ার এঁটে দাও
আমার অযান্ত্রিক কল্পনায় থুথু ছিটিয়ে একবার।
তবে বিরহের গান গাবো আমি
তবেই উটকো স্বপ্ন দেখা, দেবো ছেড়ে
কতোকাল হলো
জলভেজা মাটি একা, কতগুলো বসন্ত গেলো চলে
তবুও আকাশ নীল থেকে গেলো।
নবান্ন আসেনি যে ঘরে তার চাল খসে পড়েছে দ্যাখো !
আমার চালভাঙা স্বপ্ন
আমাকে জাগাও….